সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ভূত কি ?

ভূত আছে কি নেই সে নিয়ে তো অনেক বিতর্ক আছে তবে প্রথমে আমাদের জানতে হবে ভূত কাকে বলে।

সাধারণত পৃথিবীর অধিকাংশ সুস্থ মানুষের ভাষায় বলতে গেলে ভূত বা অশরীরী আত্মা হল শুধুমাত্র মানুষের কল্পিত ভয় ছাড়া আর কিছুই নয়। 
বেশ, তাই যদি মেনে নিই তবে মানুষের এই ভয়-টার কারণ কি? পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জীব মানুষ, সে কি এতটাই বোকা যে অবাস্তব আর কল্পিত কিছু বিষয়ে যুগের পর যুগ, প্রজন্মের পর প্রজন্ম অকারণ ভয় পেয়ে চলছে ! না, বিষয় টা তেমন নয়। ভয় আসলে অজ্ঞানতার পরিনাম। যা সম্পর্কে আমাদের কাছে কোনো বিস্তারিত তথ্য থাকে না, সেটাকেই আমরা ভয় পেয়ে থাকি। যেমন : আপনি হয়তো কখনোই একটা জ্যান্ত বাঘের সামনে পরতে চাইবেন না, কিন্তু একজন অভিজ্ঞ ও পটু ওয়াইল্ড মাস্টার অনায়াসেই বাঘের সামনে চলে যাবে। সুতরাং ভুত সম্পর্কে ‌আমাদের ধারণা আরও বিস্তৃত করতে হবে।

প্রচলিত মতে ভূত, প্রেতাত্মা বা অশরীরী হল মৃত ব্যক্তির আত্মা, যা জীবিত ব্যক্তির সামনে দৃশ্য, আকার গ্রহণ বা অন্য কোন উপায়ে আত্মপ্রকাশ করতে সক্ষম। ভৌতিক অভিজ্ঞতার কাহিনী প্রায়শই শোনা যায়। এই সকল বিবরণীতে ভূতকে নানাভাবে বর্ণনা করা হয়েছে: কখনো অদৃশ্য বা অস্বচ্ছ বায়বীয় সত্ত্বায়, কখনও বা বাস্তবসম্মত সপ্রাণ মানুষ বা জীবের আকারে। 

প্রচলিত বর্ণনা অনুযায়ী, ভূতেরা একা থাকে, তারা নির্দিষ্ট কিছু স্থানে ঘুরে বেড়ায়, জীবদ্দশায় যেসকল বস্তু বা ব্যক্তির সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ছিল সেগুলিকে বা তাদের তাড়া করে ফেরে।

মৃত্যুর মধ্য দিয়ে আত্মা দেহত্যাগ করে। তবে কখনো কখনো জীবিত‌ মানুষের সামনে আকার ধারন করে। এটি পূরাণভিত্তিক একটি আধিভৌতিক বা অতিলৌকিক জনবিশ্বাস।

মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন