সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ভূতের গল্প লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নন্দনগড় অভিযান (পার্ট - ২)

নন্দনগড় অভিযান (পার্ট - ১) পড়ার জন্য এই লিংক-এ ক্লিক করুন :  নন্দনগড় অভিযান (পার্ট-১)

নন্দনগড় অভিযান (পার্ট - ১)

ছোটোবেলা থেকেই আমার গল্প শুনতে বড়ো ভালো লাগে, বিশেষ করে সেটা যদি হয় ভূতের গল্প। এই ভালোবাসার কারণেই যখনই কোথাও কোনো রসদের হদিশ মিলেছে, সেখানে ছুটে গেছি ভৌতিক অভিজ্ঞতার স্বাদ গ্রহণ করতে। তেমনই এক অভিজ্ঞতার কথা আজ বলবো। যদিও, ভূতের গল্পকে কাল্পনিক ও বিশ্বাসের অযোগ্য বলেই মনে করা হয়, কিন্তু যারা এই গল্পগুলির প্রত্যক্ষ সাক্ষী, একমাত্র তারাই এর ভয়াবহ বাস্তবতা অনুভব করতে পারেন। এখন বেশী কথা না বাড়িয়ে, মূল ঘটনায় আসা যাক। সেদিন ছিল মঙ্গলবার, সকালবেলায় একটা আচমকা যন্ত্রনায় আমার সুখের ঘুমটা ভেঙে গেল, টের পেলাম গলায় ঠিক মাঝ বরাবর বসে একটা মশা অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে আমার শরীর থেকে রক্ত শুষে নিচ্ছে। একটা টোকা দিয়ে মশাটাকে তাড়িয়ে দিয়ে ঘড়ির দিকে তাকালাম, "সাড়ে পাঁচটা বাজে। স্ট্রেইন্জ!" এত সকালে আমার ঘুম ভাঙতে পারে বলে তো আমারই প্রথমটায় বিশ্বাস করতে কষ্ট হল। যদিও এটা সম্ভব হয়েছে ওই হতচ্ছাড়া মশার দৌলতে। বিছানা ছেড়ে মোবাইল-এ ফেইসবুক, কাপ-এ চা আর আঙ্গুলের ডগায় একটা সিগারেট জ্বালিয়ে নিয়ে ব্যালকোনি তে গিয়ে বসে পড়লাম। শীতের সকালে কনকনে ঠান্ডা বাতাস গায়ের লোম খাঁড়া করে দিচ্ছে। হাতের সিগারেট আর সামনে র...

গার্লস্ হস্টেলের ঝুলন্ত লাশ

ঘটনাটা আমার ছোটো পিসির মেয়ের কাছে শোনা। আমার পিসির বাড়ি যদিও বাংলাদেশের খুলনা জেলায় তবে দিদি এখন বিয়ে করে ইন্ডিয়াতে সেটেল্ড। বিয়ের আগে মাঝে মধ্যেই কোলকাতায় আমাদের বাড়িতে বেড়াতে আসতো, তখনই ঘটনাটা শুনেছি। যাক, মূল ঘটনায় আসা যাক। ঘটনাটা ঘটে ২০০৬ সালে, আমার দিদি (পিসির মেয়ে) তখন খুলনার একটা  ডিপ্লোমা কলেজে ফাইনাল ইয়ার-এ পড়ছে। বাড়ি থেকে কলেজের দূরত্ব খানিকটা বেশী হওয়ায় কলেজের কাছেই একটা গার্লস্ হস্টেলে থাকা শুরু করে। এখানে হস্টেলের একটু বর্ণনা দিয়ে রাখা দরকার। হস্টেলটা ছিল বেশ বড়োসড়ো একটা দোতলা বাড়ি, যার উপর তলায় ছিল কলেজ পড়ুয়া মেয়েদের জন্য বড়ো বড়ো চারটে বেডরুম, একটা কমন বাথরুম আর কমন প্যাসেজ। নিচতলায় ছিল কমন ডাইনিং আর কমন হল। বাড়ির মালিক শেখ নবাব উদ্দিন তার পরিবার নিয়ে নিচ তলাতেই থাকতেন, পরিবার বলতে তিনি আর তার দুই মেয়ে। ব্রেকফাস্ট আর লাঞ্চের ব্যাবস্থাটা বাড়িওয়ালাই করে দিতেন তবে ডিনারটা নিজেদেরই পাল্টাপাল্টি করে রান্না করতে হতো।  হস্টেলে যাওয়ার আগে অনেকেই দিদিকে বলেছিল ওখানে না যেতে, শোনা যায় বাড়িটা নাকি ভালো না। এর আগেও নাকি অনেকেই ওই হস্টেলে থেকেছে এবং তাদের নিয়ে অনে...