ছোটোবেলা থেকেই আমার গল্প শুনতে বড়ো ভালো লাগে, বিশেষ করে সেটা যদি হয় ভূতের গল্প। এই ভালোবাসার কারণেই যখনই কোথাও কোনো রসদের হদিশ মিলেছে, সেখানে ছুটে গেছি ভৌতিক অভিজ্ঞতার স্বাদ গ্রহণ করতে। তেমনই এক অভিজ্ঞতার কথা আজ বলবো। যদিও, ভূতের গল্পকে কাল্পনিক ও বিশ্বাসের অযোগ্য বলেই মনে করা হয়, কিন্তু যারা এই গল্পগুলির প্রত্যক্ষ সাক্ষী, একমাত্র তারাই এর ভয়াবহ বাস্তবতা অনুভব করতে পারেন। এখন বেশী কথা না বাড়িয়ে, মূল ঘটনায় আসা যাক।
সেদিন ছিল মঙ্গলবার, সকালবেলায় একটা আচমকা যন্ত্রনায় আমার সুখের ঘুমটা ভেঙে গেল, টের পেলাম গলায় ঠিক মাঝ বরাবর বসে একটা মশা অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে আমার শরীর থেকে রক্ত শুষে নিচ্ছে। একটা টোকা দিয়ে মশাটাকে তাড়িয়ে দিয়ে ঘড়ির দিকে তাকালাম, "সাড়ে পাঁচটা বাজে। স্ট্রেইন্জ!" এত সকালে আমার ঘুম ভাঙতে পারে বলে তো আমারই প্রথমটায় বিশ্বাস করতে কষ্ট হল। যদিও এটা সম্ভব হয়েছে ওই হতচ্ছাড়া মশার দৌলতে। বিছানা ছেড়ে মোবাইল-এ ফেইসবুক, কাপ-এ চা আর আঙ্গুলের ডগায় একটা সিগারেট জ্বালিয়ে নিয়ে ব্যালকোনি তে গিয়ে বসে পড়লাম। শীতের সকালে কনকনে ঠান্ডা বাতাস গায়ের লোম খাঁড়া করে দিচ্ছে। হাতের সিগারেট আর সামনে রাখা গরম চা-এর কাপ থেকে দুটো ঊর্দ্ধায়মান ধোঁয়াপুঞ্জ যেন নাচের ভঙ্গিতে আমায় সুপ্রভাত অভিবাদন করছে, ভোরের শান্ত পরিবেশ, মোলায়েম রোদ আর আশেপাশে পাখির ডাকের মৃদু আওয়াজ বেশ উপভোগযোগ্য। নাহ্, মশাটার উপর এখন আর রাগ নেই, বরং তার দেওয়া যন্ত্রনাটা এখন উপহার স্বরূপ মনে হচ্ছে।
চায়ের কাপটা হাতে তুলে নিয়ে চুমুক দিতে যাবো ঠিক সেই সময়ে মোবাইলটা বেজে উঠলো, অচেনা নাম্বার, "এত সকালে কে কল করতে পারে!" ভাবতে ভাবতে কলটা রিসিভ করে বললাম
- "হ্যালো, কে বলছেন?"
ফোনের অপরপ্রান্ত থেকে জবাব এলো,
- "সৌম্য বলছি রে ভাই।"
কথাটা শুনে আমি আনন্দে হো হো করে হেসে উঠলাম। সৌম্য হলো আমার কলেজ লাইফের সবথেকে কাছের বন্ধু, দুজনে একসাথে পাশ-আউট হওয়ার পর সৌম্য চলে যায় বর্ধমানে ওর গ্রামের বাড়িতে, সেখানে একটা ফিসারী করে মাছের ব্যবসা শুরু করে, আর আমি ছোট্ট একটা ওয়ান বি এইছ কে ফ্ল্যাট ভাড়া করে চলে এলাম নিউ আলিপুর-এ একটা মাল্টি ন্য়াশনাল করপোরেট-এ মার্কেটিং-এর জব করতে। তার পরে বছরখানেক আর তেমন যোগাযোগ হয়নি। আজ হঠাৎ এত সকালে সৌম্য-র কল রিসিভ করবো ভাবতেই পারিনি।
- "আরে ভাই, তুই ! এতদিন পর মনে পড়লো বন্ধুটাকে ?"
- "তুই আর বলিস না, তুই যে কতো খোঁজ নিস তা আমার দেখা হয়ে গেছে। সেই যে আমি তোর জন্মদিনে উইশ করার জন্য কল করেছিলাম, তার পর তো তোর আর পাত্তাই পাওয়া গেল না। আবার আমার নাম্বার টাও তোর কাছে সেইভ করা নেই। আচ্ছা, তোর সময় কি এতই কম যে নাম্বার সেইভ-ও করতে পারলিনা ?"
আমি বললাম,
- "আরে না রে, আমার মোবাইল টা কয়েক মাস আগে ট্রেন থেকে চুরি হয়ে গেছিলো, তাই পুরোনো নাম্বার গুলো সব হাতছাড়া হয়ে গেছে। আচ্ছা ওসব এখন ছাড়। তোর কি খবর তাই বল, বাড়িতে সবাই কেমন আছে ? আর তোর ব্য়বসা কেমন চলছে ?"
- "আমি ভালোই আছি, বাড়িতেও সবাই ভালো আছে। কিন্তু...."
বলতে বলতে থেমে গেল সৌম্য়। আমি জিজ্ঞেস করলাম,
- "কিন্তু কি?"
সৌম্যর গলাটা এবার কেমন ভারী হয়ে গেল, বললো,
- "ব্যবসাটা নিয়ে ক'দিন একটু টেনশনে পরে গেছি ভাই। ইনফ্যাক্ট, এইটা নিয়ে কথা বলতেই তোকে কল করেছি। কাল সারারাত ঘুমোতে পারিনি, সকালে ভাবলাম কথাটা তোকে জানাবো। দুশ্চিন্তায় শরীরটা দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে, কি করবো কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না।"
সৌম্য-র কথা শুনে মনটা খারাপ হয়ে গেলো। এই তো শেষ বার যখন আমার জন্মদিনে কথা হয়েছিল, তখনও সব ঠিকঠাক ছিল। বলছিলো ব্যবসাটা বড়ো করবে, ওর ফিসারীর মাছ বিদেশে এক্সপোর্ট করবে বলেছিল। তাহলে, হঠাৎ কি এমন হলো !! জিজ্ঞেস করলাম,
- "কি হয়েছে বলতো, কোনো বড়ো লস্ টস্ করেছিস নাকি ?"
- ""শুধু লস্ না, ব্যবসাটা আমার পুরোপুরি ডুবতে বসেছে, এখনই কোনো উপায় না করতে পারলে সব শেষ হয়ে যাবে। তোকে প্রথম থেকে পুরোটা খুলে বলি, এক্সপোর্টের কাজ শুরু করার জন্য গত মাসে ৫০ লাখ টাকা খরচ করে শহরের ধারে একটা বড়ো ঝিল করেছিলাম, দশ জন কর্মচারী নিয়ে চাষের কাজও শুরু হয়ে গেছিল। সব ঠিকঠাকই চালছিল, কিন্তু এই দিন দশেক আগে একটা দূর্ঘটনায় সব কিছু পন্ড হয়ে গেছে। আমার ফিসারীর এক কর্মচারী এক রাতে ঝিলে গেছিল মাছের খাবার দিতে, কিন্তু সেই রাতে সে আর বাড়ি ফেরেনি। পরদিন সকালে তাকে ঝিলের পাশে অজ্ঞান অবস্থায় পাওয়া যায়। আমি আর আমার বাকি কর্মচারীরা মিলে ওকে ওর বাড়িতে নিয়ে গেলাম, ভাবলাম হয়তো লো-প্রেশারের কারণে মাথা ঘুরে পরে গিয়ে জ্ঞান হারিয়েছে। জ্ঞান ফেরার পর সে কাঁপা কাঁপা গলায় বললো,- "ত্রিশ বছর ধরে এই ফিসারীর কাজ করছি স্যার, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো দিন এমন অভিজ্ঞতা হয়নি। আমি আর আপনার ঝিলে কাজ করতে পারবো না স্যার, আমাকে মাফ করবেন, আমার কিছু একটা হয়ে গেলে আমার বাড়ির লোক না খেয়ে মরবে।" আমি তো ওর কথা শুনে পুরোই অবাক হয়ে গেলাম, বেশ বুঝতে পারলাম কোনো একটা কারণে সে খুব ভয় পেয়েছে, কথা বলার সময় ওর সমস্ত শরীর থরথর করে কাঁপছিল, এই হাড় কাঁপানো ঠান্ডার মধ্য়েও ও দরদর করে ঘামছিল, কোনো রকমে ওকে শান্ত করে রাতের ঘটনাটা খুলে বলতে বললাম। তারপর ও যা বললো তা তুই বিশ্বাস করতে পারবি না, বললো - "কাল রাতে ১১ টা নাগাদ ঝিলে গেছিলাম, রোজকার মতো গোডাউন থেকে দানার বস্তা নিয়ে ঝিলের পাশে গেলাম মাছগুলোকে খাওয়াতে। কিছু দূর এগিয়ে গিয়ে দেখলাম ঝিলের দক্ষিণ পাড়ে একটা বাচ্চা মেয়ে হাটাহাটি করছে, এই ধরুন ৩-৪ বছর বয়স হবে। এত রাতে একটা বাচ্চা মেয়ে ওখানে একা একা কি করছে ভেবে পেলাম না, আমার একটু সন্দেহ হলো। বিষয়টা ভালো করে বোঝার জন্য ওই দিকে এগোতে থাকলাম, খানিকটা কাছে যেতেই মেয়েটা হাটা থামিয়ে মাটিতে ধপ করে বসে পড়লো। আমি জোর গলায় জিজ্ঞেস করলাম- এই মেয়ে, কে তুমি, এত রাতে এখানে কি করছো? তোমার বাড়ি কোথায়? কিন্তু কোনো উত্তর পেলাম না। মেয়েটা আমার সামনে আমার দিকে পিঠ করে বসে ছিল আর দূর থেকে দেখে মনে হল মাথা নিচু করে কিছু একটা খাচ্ছে। আমি ফের ডাকলাম- কি হলো, কথা কানে যাচ্ছে না? এই মেয়ে ! কোনো লাভ হলোনা, আমি এবার সোজা চলে গেলাম মেয়েটার কাছে, গিয়ে ওর পিছনে দাঁড়িয়ে পড়লাম, ব্য়াপারটা একটু ভালো করে বোঝার চেষ্টা করলাম। মেয়েটার পোশাক-আশাক দেখে বেশ ভালো বাড়িরই মনে হলো। আমি আবার ডাকার চেষ্টা করলাম, নিরুপায় হয়ে আমি মেয়েটার কাধে হাত রেখে বারকয়েক ঝাকুনি দিলাম। হঠাৎ, এক ঝটকায় ঘাড় ঘুরিয়ে সটাং আমার দিকে তাকালো মেয়েটা। ওর মুখের ওপর চোখ পড়তেই ভয়ে আতকে উঠলাম। একটা আস্ত রুই মাছ মুখের মধ্যে দাঁতের সাথে কামড়ে ধরা, গালের চিক বেয়ে গল গল করে রক্ত ঝরছে, আর সেই রক্তে তার সারা শরীর ভিজে গেছে, দুই চোখ যেন সর্বনাশের আগুনে জ্বলে লাল হয়ে গেছে। মেয়েটার সামনে কতগুলো মরা মাছ আর মাছের কাঁটা পড়ে আছে, কাঁটা গুলোর গা থেকে খুবলে খুবলে মাছ খাওয়া। নিজের চোখের সামনে এই রকম একটা নৃশংস দৃশ্য দেখে আমি স্তব্ধ হয়ে গেলাম, ভয়ে - আতঙ্কে আমার সারা শরীর ঘেমে উঠল। বেশ বুঝতে পারলাম, আমার পা দুটো অবশ হয়ে যাচ্ছে, অনেক চেষ্টা করেও ওখান থেকে এক চুলও নড়তে পারলাম না। হঠাৎ মেয়েটা মুখে কামড়ে রাখা মাছটা ফেলে দিয়ে আমার দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকালো, তার ঠোঁটে পৈশাচিক হাসি ফুটে উঠেছে, যেন ওই মাছের থেকেও সুস্বাদু আর লোভোনীয় ভোজন তার সামনে পরিবেশন করা হয়েছে। বিপদ বুঝতে পেরে আমি জোরে চিৎকার করতে গেলাম, কিন্তু কোনো লাভ হলোনা তাতে, আমার গলা থেকে গরম নিঃশব্দ বাতাস ছাড়া আর কিছুই বের হলনা। শরীরের সব শক্তি দিয়ে কোনো রকমে পিছন ফিরে পালানোর চেষ্টা করলাম, হঠাৎ আমার পা আটকে যেতেই মুক থুবড়ে মাটিতে পড়লাম, মেয়েটা এখন আমার পা দুটো ধরে বসেছে, তার হাতের ছোঁয়া আমি স্পষ্ট টের পেলাম, বরফের মতো ঠান্ডা সে হাত। আচমকা, আমি কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই মেয়েটা আমার পায়ে একটা প্রচন্ড কামড় বসিয়ে দেয়, নেকড়ের মতো ছুঁচালো পাশবিক দাঁতগুলো আমার পায়ের মাংস ভেদ করে ঢুকে যায়। অসহ্য যন্ত্রনায় ছটফট করতে করতে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি, তার পর আরকিছু বুঝিনি, চোখ খুলে দেখি আমি এখানে।" বলা শেষ করে প্যান্টের খানিকটা উপরে তুলে দিয়ে ক্ষত টা দেখালো। ডান পায়ে হাঁটুর ঠিক পিছনে গভীর ক্ষত, এখনো তাজা লাল, সেখান থেকে রক্ত চুঁইয়ে পড়ছে। কর্মচারীর শারীরিক অবস্থা খারাপ দেখে ওকে হাসপাতালে ভর্তে করে দিলাম। এই ঘটনা ভাইরাল হওয়ার পরে সারা গ্রামে এটা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। অনেকে অনেক রকম গুজব রটাচ্ছে। ভয়ে আমার কোনো কর্মচারী আর কাজ করতে আসছে না। এখন তুই বল, সব শুনে তোর কি মনে হলো।"
কথা শেষ করলো সৌম্য, আমি এতক্ষণ সব কথা মন দিয়ে শুনছিলাম, অবাক তো হয়েইছি আবার ভয়ও পেয়েছি। অনেকদিন পর কোনো ভৌতিক ঘটনা কানে যেতেই সারা গায়ে কৌতুহলের শিহরণ বয়ে গেল। এই ঘটনা শোনার পর নিজেকে আর আটকে রাখা যায়? ঠিক করে ফেললাম আজই আমি সৌম্যদের গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হব।
যেমনি ভাবা তেমনি কাজ, এক চুমুকে ঠান্ডা চা-টা শেষ করে সিগারেটে শেষ একটা লম্বা টান দিয়ে ফিল্টারটা ফেলে দিলাম। তড়িঘড়ি রেডি হয়ে গেলাম, ব্যাগ গুছিয়ে নিয়ে অফিসে একটা মেইল করে তিন দিনের ছুটি নিয়ে একটা ক্যাব বুক করে সোজা পৌঁছে গেলাম শিয়ালদা স্টেশনে। কাউন্টার-এ গিয়ে টিকিট কেটে নিয়ে দৌড়ে চলে গেলাম একটা মিষ্টির দোকানে। তাড়াহুড়োয় সকালে কিছু খাওয়া হয়নি, ট্রেন ছাড়বে দুপুর তিনটের সময়, এখনও আধ্ ঘন্টা বাকি, এই সুযোগে কিছু খেয়ে না নিলে পুরো যাত্রাটা খুব কষ্টের হবে। ঝপাঝপ আলুর দম দিয়ে চারটে কড়াইশুঁটির কচুরী আর গরম গরম দুটো মালপোঁয়া খেয়ে পানের দোকান থেকে একটা সিগারেট কিনে জ্বালিয়ে নিয়ে প্ল্যাটফর্মের দিকে ছুটলাম। ট্রেনে উঠে খনিক খোজাখুজির পর জানলার পাশে একটা মন মতো সিট দেখে বসে পড়লাম।
এরই মধ্যে সৌম্য বার দশেক কল করে ফেলেছে, কনফর্ম করার জন্য যে আমি সত্যিই যাচ্ছি কিনা। ও ভাবতেই পারেনি যে শুধুমাত্র ওই ঘটনাটা পরখ করার জন্য় আমি ওদের গ্রামে চলে যাবো। কিন্তু, চিন্তা এখন আমারও একটু হচ্ছে। যদি এই ভূতের কাহিনী সত্য়ি হয়, তবে সেখানে যাওয়াটা কি আদৌ নিরাপদ? সেখানে যদি আমার কোনো ক্ষতি হয়ে যায় এমনকি এই মানুষখেকো ভূতের কাছে প্রানহানি হওয়াটাও আশ্চর্যের কিছু নয়। তার উপর আজ আবার মঙ্গলবার, এই দিনে নাকি কোনো শুভযাত্রা হয়না।
হঠাৎ ট্রেনের প্রচন্ড হর্ণের আওয়াজে আমার চিন্তার জাল কেটে গেল, সাথে সাথে একটা ঝাকুনি দিয়ে ট্রেন চলতে শুরু করলো। ও যা হবে ওখানে গিয়েই দেখা যাবে, শুধুশুধু অযথা কু-চিন্তা করলে ভ্রমণের মজাটাই বিগড়ে যাবে। কানে হেডফোন গুঁজে দিয়ে গান শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়লাম।
অনেক লোকে সোরগোলে ঘুমটা ভেঙে গেল, চোখ মেলে জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখি ট্রেন প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে আছে, বর্ধমান জংশন। তড়াক করে লাফিয়ে উঠলাম, এক হ্যাচ্কা টানে ব্যাগটা নিয়ে প্যাসেঞ্জারের ভীড় ঠেলে তাড়াতাড়ি করে নেমে গেলাম প্ল্যাটফর্মে, সঙ্গে সঙ্গে ট্রেন ছেড়ে দিলো। ষ্টেশনের ঘড়িতে ৭টা বাজে। মোবাইলটা বের করে দেখি সৌম্যর মেসেজ, ট্রেন থেকে নেমে ১ নং প্ল্যাটফর্ম দিয়ে বাইরে যেতে বলেছে। কথা মতো ষ্টেশনের বাইরে গিয়ে দেখি বাইক নিয়ে সৌম্য দাঁড়িয়ে আছে।
লেখক : অন্তু সরকার
নন্দনগড় অভিযান (পার্ট - ২) পড়ার জন্য
এই লিংক-এ ক্লিক করুন : নন্দনগড় অভিযান (পার্ট-২)

Next part কবে আসবে?
উত্তরমুছুন